পথে হল দেরী

শাওনী টানটিন on

(ক)

অনেক ছুটির পর কাজে আসতে ভালো লাগে না, আবার ছুটির দিনগুলোতে মনে হয় কেন আজ ছুটি।
রোদ পেরিয়ে মেঘ পেরিয়ে বর্ষা।
খড়দহ পেরিয়ে সোদপুর, সোদপুর পেরিয়ে আপিস। ট্রেন থেকে নেমে সাবওয়ে, সাবওয়ে থেকে উঠে রাস্তা।
দুপুর এখন এঁটো বাসন মাজে কিংবা ঘুমায় দরজায় খিল তুলে। কোথাও দুপুর মাজারের বাইরে ধুপকাঠি বেচে।
শুনশান কবরস্থান। এই দুপুরেও কেমন ঠান্ডা লাগে।
এলোপাথাড়ি গর্ত আর এবড়োখেবড়ো রাস্তা, টোটোর ঝাঁকুনিতে তলপেট ছলকে ওঠে।
দুটো কারখানার মাঝের রাস্তা দিয়ে টোটো ছুটে চলে। ছুটে?
না, হেঁটেই চলে যায়। সিমেন্টের সাদা পাঁচিলের উপর কাঁটাতার।
আমার কনসেনট্রেশান ক্যাম্প মনে হয় হঠাৎ তাকালে, অজান্তেই রক্তচাপ বেড়ে যায় কিংবা আসলে কমতে থাকে।
কাঁটাতার!
ইহুদিকে পুড়িয়ে মারে আর দেশে দেশে বিভেদ লাগায়।
সাউথ স্টেশন রোড ছেড়ে এখন আলপাইন ডেয়ারি বা আমজনতার ‘আলপেনডারি’।
টি আই এল আর রিজেন্ট ছাড়িয়ে গরীবের রথ এখন বিটি রোডে। একদিন বিটি রোডে ঘোড়া হেঁটে যাবে – আমার বিশ্বাস।
বিটি রোডের প্যাসেঞ্জার নামিয়ে এখন শুধু টোটো, ড্রাইভার আর আমি। বড়লোকের আরিয়ান স্কুল, আরো বড়লোকে রিজেন্ট ব্যাঙ্কোয়েট আর খেটে খাওয়া মানুষের কুঁড়ে ঘর পেরিয়ে আজ আবার আপিস। বহুদিন পর।
আপিস যেতে ভালো লাগে না মোটেও তারপর একবার পৌঁছে গেলে আর ফিরতে ইচ্ছে করে না বাড়ি।
স্যার আইজ্যাক নিউটন জাড্য আবিষ্কার করেছিল ভাগ্যিস তাই আমার এই স্থিতিজাড্য নিয়ে মানুষ উদ্বিগ্ন নয়।
কাঠঠোকরা, পানকৌড়ি, কুকুর, পায়রা, পুকুরের জলে বৃষ্টির ফোঁটা… কাচের ঘর, এসির হাওয়া, সিঁড়ি বেয়ে উঠে যাওয়া উপরে তারপর আরও ওপরে।
কী প্রচন্ড ভালো লাগে সিঁড়ি ভাঙার পরিশ্রম করতে। এই যে স্কাইলাইন যেখানে আকাশ মাটিকে ছোঁয় না, আকাশ কেবল উঁচু উঁচু বাড়ির ছাদ ছোঁয় — আমি সে ছবি কাউকে দেখাতে পারি না। পাঁচ সাত তলা বাড়িতে এভাবে ছাদে ওঠা যায় না যখন তখন, ওঠানোও যায় না মানুষকে৷
তারপর…
‘বাসনওআলা থালা বাজায় ;

সুর করে ওই হাঁক দিয়ে যায়

আতাওআলা নিয়ে ফলের ঝোড়া।

সাড়ে চারটে বেজে ওঠে,

ছেলেরা সব বাসায় ছোটে

হো হো করে উড়িয়ে দিয়ে ধুলো।

রোদ্‌দুর যেই আসে পড়ে

পুবের মুখে কোথায় ওড়ে

দলে দলে ডাক দিয়ে কাকগুলো।

আমি তখন দিনের শেষে

ভারার থেকে নেমে এসে

আবার ফিরে আসি আপন গাঁয়ে।’

.
.
কাজ করলে ক্লান্তি আসে। ছুটির দাম থাকে৷ ঠিক যেমন দিনের শেষে অাপিস শেষে ফিরতে ভালোলাগে।
আপ কৃষ্ণনগর এক নম্বরে আসছে, তিন নম্বর লাইন দিয়ে থ্রু ট্রেন পাস করবে। একটা গেদে বেরিয়ে গেছে তাতে গেদে গেদে লোক উঠছিল। আমি উঠতে পারিনি।
বাঁ পাশে টিউব লাইট জ্বলছে, আলোতে চকচক করছে চিচিঙ্গা, পুঁইশাক… ভেজা ভেজা রেললাইন পেরোচ্ছে আমার গুণধর ছাত্র আর হাতে ধরা বান্ধবীর হাত ভাবটা এমন ‘ভয় কী রে তোর! আমি তো আছি!’
তারা উঠে গেলেন প্ল্যাটফর্মে৷ চোখে চোখ পড়তেই কান ধরে সরি বলল৷
কৃষ্ণনগর ছেড়ে নৈহাটিতে উঠলাম সেখানেও বসার জায়গা নেই। শেষ সন্ধের প্রহরটুকু দাঁড়িয়ে থাকতে ভালো লাগে না। কোনো স্টেশনে কল ফেটে গেছে কতগুলো বখাটে ছেলে চেষ্টা করছে কলের মুখটা বন্ধ করার। চোখটা আমার খারাপ হয়েছে বহুদিন, খারাপ কিছু দেখতে পাইনা।
ট্রেন স্টেশনে থামতেই, লাফিয়ে নেমে এক রাজকন্যে ছুটতে ছুটতে প্রায় কোলেই উঠে পড়ত রাজপুত্রের৷ চোখ আমার অবস্থা বুঝে আরো খারাপ হয়, সব ভালো জিনিসও দেখতে নেই৷

(খ)


প্রেমে প্রতারিত হওয়ার দুঃখ কোনোদিন পেতে হয়নি আমায়।
প্রত্যাখ্যাত হতে হয়েছে বহুবার।
প্রত্যেকটা প্রত্যাখ্যান আমাকে আরো স্বাবলম্বী করে দেয়।
মানুষ হিসেবে উত্তরণ ঘটে প্রতিবার।
না হওয়া প্রেমগুলো আমাদের দেখাগুলোকে পাল্টে দেয় ।
এই যে আমাদের জীবনদর্শন এবং যাপন দুটোই নতুন করে সাজাই।
আগে আবর্জনার স্তুপ দেখলে ঘেন্না হত।
ছোঁয়া বাঁচিয়ে চলতাম।
না পাওয়া প্রেমের লোভে, নিজের প্রতি ঘেন্নায়,
অনুশোচনায় দগ্ধ হয়ে, কলেজ ফিরতি পথে মাঝে মাঝে ঐ আবর্জনার কাছাকাছিই দাড়িয়ে থাকি । যেখানে ভালোলাগার কিছুমাত্র অবশিষ্ট নেই সেখানেই মুক্তি খুঁজি । জীবনের মধ্যেই কোথাও জীবনকে অতিক্রম করে যাওয়ার রসদ।
একদৃষ্টে সূর্যের দিকে তাকিয়ে থাকলে সূর্যকেও লাইটের মত মনে হয়, হ্যাঁ চোখে ব্যথা করে তবুও…
সেরকমই একভাবে ময়লা দেখতে দেখতে
হঠাৎই চোখের দৃষ্টি নিজেকে অতিক্রম করে যায়।
স্তুপাকৃতির আবজর্না ঘেঁটে বাছাই করে নিই ভাঙা খেলনা যেটায় কারোর ছেলেবেলা ছুঁয়ে থাকে, থার্মোকলের টুকরো যাতে মুড়ে প্রথম টিভি এসেছিল ঘরে, ভাঙা বালতি যাতে করে রোজ বাড়ির বৌ জল ভরত, প্লাস্টিকের টুকরো না জানি সেগুলো কোন জিনিসের ভাঙা অংশ।
না জানি তারা কোন সংসারের অপাংক্তেয় দ্রব্যাদি যাদের একসাথে রেখে দেওয়া হয়।
বৃদ্ধাশ্রমে, অনাথাশ্রমে কিংবা গ্যাসচেম্বারে।
যখন সময় বাস্তবেই অঢেল,
তখন মনে এ জীবনকে ভালোবেসে আরো কিছুক্ষণ দেখি এই ভয়ঙ্কর সত্যকে।


জায়গাটার নাম প্রান্তিকনগর।
একদিকে বস্তি, আরেকদিকে পাহাড় সমান আবর্জনা।
এবস্তির সবাই পুরোনো টিনভাঙা কাগজ ইত্যাদির সংগ্রাহক।
বৃষ্টিতে রাস্তাটা কাদা হয়ে থাকে। ওখানেই বস্তি
ওখানেই শৈশব, ওখানেই বেড়ে ওঠা,ওখানেই সারা শহরের ময়লা।
এটা কিন্তু আদতেই শহরের প্রান্ত নয় তবুও প্রান্তিক তবুও ব্রাত্য৷
আমার সাদা চুড়িদারে কাদার ছোপ লেগে যায়।
জুতো ছিঁড়ে যায় পাথরে লেগে ।
কারা যেন প্রতি সন্ধেয় আগুন লাগিয়ে দেয় আবর্জনায়।
আমি সত্যিই বাড়ি ফেরার তাড়া থাকে না। আমি দাড়িয়ে দেখি আগুন। আগুন দেখি। দেখি এসব কিছুর পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া। ইলেক্ট্রিক চুল্লির ঢাকনা বন্ধ হওয়া দেখতে যেমন লাগে খানিকটা ততটাই ভয়ঙ্কর এ দৃশ্য।
মরে যাওয়া বেড়ালছানা, বেতের চেয়ারের ভাঙা হাতল, ছেঁড়া শাড়ির টুকরোয় লেগে থাকা ঋতুস্রাব… সব জ্বলে ছাই হয়ে যায়। সাংবাদিকদের মত আমার
এ মর্মান্তিক দৃশ্যের ছবি তুলতে ইচ্ছে করে না।
ইচ্ছে করে না ফেসবুকে লাইকের ঝড় তুলতে। খুব কষ্ট হয়৷ তবু ও দেখি।
আগুনের একটু দূরে দাড়িয়ে ওম অনুভব করি।
পুরোনো ফুটো ফ্রেম দেখে মনে হয়
— কারা ফটো তুলেছিল সেই মুহূর্তটাকে ধরে রাখতে।
কিন্তু তারা চলে গেছে হয়ত জ্বলে গেছে কিংবা চাপা পড়েছে । ছবিগুলো বড্ড বেমানান হয়েছে বর্তমানের কাছে তাইতো আবর্জনার ঢিপিতে জমা হয়,
পুরোনো বেতের চেয়ার, যেখানে কোনো মানুষ রোজ চা খেত ।
সেই পুতুল যেটা কোনো মা তার সন্তানকে উপহার দিয়েছিল, সেই পুতুলের চোখ খুবলে যায়, তুলো বেড়িয়ে আসে।
আগুনে সঁপে দেওয়া হয় তাকেও । সেই আগুনের পাশেই পায়খানায় বসে বস্তিরই কোনো বাচ্চা। আমার গা গুলোয় না আজকাল। জীবন তো ভীষণ রকম জীবন্ত এখানে৷ বাঁচছে-মরছে।
তবুও কানে কানে কে যেন কেঁদে যায় “আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে “।
আগুনের তাপে চোখে জল আসে।
ভেজা চোখ নিয়েই দেখি,
পুড়ে ছাই হয়ে যায় ময়লা,
পুড়ে ছাই হয় অতীত,
পুড়ে ছাই হয় জীবন।
জীবন, ক্রেমেটোরিয়াম, গ্যাসচেম্বার, আগুন, ধোঁয়া, পোড়া গন্ধ, বারুদ, বোমা, ধ্বংস, মৃত্যু, কান্না, চিৎকার, হাহাকার, আর্তনাদ ।
মাথা ঝিমঝিম করে। তবুও দেখি। এ পুড়ে যাওয়া জীবনের ধ্বংসাবশেষ।


টোটোওয়ালার গলার আওয়াজে সম্বিত ফেরে।
” দিদিমণি চলুন, রাত হয়েছে, স্টেশন পৌঁছে দিই”।
টোটোতে চেপে বসি। আগুন নিভে আসে কালের নিয়মে। আমি চশমা মুছে নিয়ে, ট্রেনের টাইম টেবিল দেখি
“আপ মাঝেরহাট-ব্যারাকপুর লোকাল”
আমি শুধু সুখী নই, ভাগ্যবতীও বটে।
এ জীবন ভালোবেসে…

(গ)


নিউ পঞ্জাব হিন্দু হোটেল
৬০ নম্নর বিটি রোড কলকাতা ৭০০০০২, চুনীবাবুর বাজার।
আমার বহুদিনের শখ এ বাজারে আসব৷ আসা হয়না কখনও।
আজ এমনিই বেরিয়েছি বাড়ি থেকে সকাল সকাল। কাজ ছিল কিছু। কলেজ সেই ২.১০ সেটাও আমিও স্বেচ্ছায় নিয়েছি নাহলে অফিসিয়াল ক্লাস সেই ৫.২০। আর এখন বাজে ১২.২২।
সকালে তো খেয়ে দেয়ে দাঁত মেজে সোনাবাবুটি হয়ে বেরিয়েছিলাম। একটা সাধ্যের মধ্যে ব্যারাকপুর হাওড়াও পেয়ে গেলাম।
একদম সামনে ড্রাইভারের পাশের সিটটা আমার।
গতকালের জন্মদিন বৃষ্টির পর শহর এখন চকচকে।
ইচ্ছা ছিল শ্যামবাজার যাবো।
কিন্তু তা আর হয়ে উঠল না। যা বৃষ্টি নেমেছ আর ছাতাটাও ভুলে গিয়েছি।
কামারহাটির কলেজ পেরোলাম, বেলঘড়িয়া, ডানলপ, বনহুগলি, বরানগর…
নামলাম না কোত্থাও। তারপর একসময় বৃষ্টি কমল, আমিও কনডাক্টরকে ডেকে টিকিট কেটে লাফিয়ে নেমে পড়লুম৷
তারপর কাদা ভেজা বাজারটা চষে দেখলাম বড় বড় মাছ বরফে শুয়ে আছে, তাদের চোখগুলো দেখে ভয় হয়।
সবজির বাজারে শেষবেলার আলু সবজি শাকপাতা কমদামে।
কতবার জলে ভিজলাম, কালো জামায় কাদা লাগল।
তারপর আর কী খিদে পেটে ঢুকে পড়লুম এই পঞ্জাব হিন্দু হোটেলে…
ভাত খেতে ইচ্ছে করল না। বললুম এক প্লেট ভেজ চাউ।
গতবছরের একটা ডায়েরি দেখছিলাম লেখা
.
‘প্রিয় অমুক আর কতদিন পাঁচ টাকা বাঁচানোর জন্য ভেজ চাউ, আর কতদিন একটা দোকানে একা একা একপ্লেট চাউ খাবো?’
.
দিন বদলায়, ভাবনা বদলায়, আজকাল একা একা খেতে খারাপ লাগে না, আর এই পাঁচটাকা বাঁচিয়ে ঠিক করব জানিনা তবে এই মানসিকতা যদি সবার থাকত তাহলে আমাদের দেশের কোনো হোটেল (ডাকাত) দুটো কলার দাম ৩০০টাকা লিখতে পারত না।
ঠিক যেমন একদল লোক আছে যারা এসব দোকানে ঢোকেন না।
দেওয়াল জুড়ে এক হাত তুলে আশীর্বাদ করছেন গুরুনানক। তার পাশেই স্বর্ণ মন্দির, তারপাশে শিব, গনেশ… এর কোনো শেষ নেই।
আমারই সমবয়সী দুটো ছেলে সবজি কাটছে, আর তাদের এক মাসি সব তদারকি করছে৷ সামনে দাঁড়িয়ে কেউ সবজি কাটলে হাত চুলকোয়,
এক সবজির ঝুড়ি ভর্তি ক্যাপসিকাম ঝিরিঝিরি করে কাটা চলছে, ঝিরিঝিরি করে কাটা চলছে পেয়াজ আর গাজর, আর বাইরে এখনও ঝিরিঝিরি করে বৃষ্টি চলছে।
এক থালা ধোঁয়া ওঠা চাউমিন, এক খাবলা সস, এক গ্লাস জল আমার সামনে রাখা হলে নিজেকে নবাব মনে হয় বৈকি। জানি নবাবে চাউমিন খেত না, চেঙ্গিস খান হয়ত খেতেন৷
জোকস অ্যাপার্ট। বাঁপাশে এসে বসেছে চারটি ছেলে তারা মাছ ভাত অর্ডার করেছে, সেই খোপ কাটা থালায় ভাত, ডাল, আলু ঢেঁড়স ভাজা, নিরামিষ তরকারি, রুই মাছের ঝোল…সাথে কাঁচা পিঁয়াজ, কাঁচা লঙ্কা।
সাথে কেউ থাকলে এই দেখাটা দেখা যায় না।
পেট ভরে গেছে হাফ প্লেট খেয়েই চুপ করে বসে আছি,
ওপাশে খাওয়ার চিবোনোর ফাঁকে ফাঁকে শব্দ ছুটে আসছে গোলটেবিল বৈঠক, গান্ধী আরউইন চুক্তি।
সুযোগ বুঝে খাওয়ার স্পিড আরও কমিয়ে দিচ্ছি।
ব্যাকগ্রাউন্ডে ইতিহাস চলছে। আমি দেখছি…

দেখছি, কাটা সবজির পাহাড় হয়ে রয়েছে, রাতের জন্য আটা মাখা চলছে, ঐ দূরে অনেকগুলো পা চালানো সেলাই মেশিন। ঐ যে একই সাথে ডানহাত আর বাঁ পা চলে টুকুর টুকুর আওয়াজে। অনেক সেলাই মেশিন, একটার মাথায় আরেকটা রাখা, বোঝা যায় এগুলো অচল এখন, অনেক সুতো, ছেঁড়া কাপড় রঙ বেরং…
কখন যেন পুরো এক প্লেট চাউমিন আমার পেটে চলে যায় ওদিকে জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম পর্যায়ের আলোচনাও থেমে গিয়েছে মাছের ঝোলের স্বাদে। আমি খেয়ে, হাত ধুয়ে, বিল মিটিয়ে, জোয়ান চিবিয়ে রাস্তা পার হই ৩৪বি।
লোভ সামলাতে পারিনা উঠে পড়ি।
জানালা জুড়ে আমি আর আকাশ ভাঙা বৃষ্টি।
এভাবেই খুচরো সময় গুলো মুহূর্ত হয়ে যায় চলতে চলতে।



শাওনী টানটিন

নাম : শাওনী মুখার্জী । বাসস্থান : ব্যারাকপুর । পেশা : শিক্ষকত। পড়াশুনা : বিটেক সিভিল ইঞ্জিনিয়ার । লেখালিখি ছাড়া রান্না করতে, পড়াশোনা করতে, ছবি আঁকতে ভালোলাগে। এর আগে 'কালি কলম ও ইজেল', 'ঘুম নেই', মন্থন সাময়ি, শিলচরের 'কথা' ইত্যাদি লিটল ম্যাগাজিনে লেখা প্রকাশিত হয়েছে।

2 Comments

Arunima · অক্টোবর 1, 2019 at 11:35 অপরাহ্ন

অপূর্ব। চোখে জল এল। ❤

Tuhina Deb · অক্টোবর 3, 2019 at 5:25 অপরাহ্ন

You know tantin, whenever I read your articles, I can relate to you so well. But the difference is that, you can express your feelings through your amazing write-ups which I can’t. They are so simple so genuine yet so strong and bold. Wish you a great career in this gerne. Syay blessed always. Love you.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।