লাল টয়লেট

ঋভু চট্টোপাধ্যায় on

রাস্তাটা বেশ  কিছু সময় ধরে অবরুদ্ধ, বিশেষ করে স্কুলের বন্ধ গেটের সামনের রাস্তাটাতে একজনও জায়গা ছাড়ে নি।স্কুলের বেশ কিছু ছাত্রিও রাস্তায় বসে গেছে, কিছু সময় আগেই  প্রিন্সিপাল ম্যাডাম বলে গেছেন, ‘ আপনারা কেউ এমন করবেন না, অথারিটি হ্যাভ টু টেক স্টেপস।‘ কয়েকজন অভিভাবক জবাব দিতে গেলেও প্রবীর ও সুমনা দুজনাই নির্বিকার হয়ে স্কুলের গেটের  এক্কেবারে বাঁদিকে একটা গাছের নিচে বসে  আছে।একটু আগেই এক ভদ্রলোক দুজনকে প্রায় জোর করেই দু’কাপ চা আর দুটো বিস্কুট  খাইয়েছে, দু’দিন ধরে মাথার ভিতরে কেউ যেন ক্রমাগত হাতুড়ি মেরে চলেছে, সুমনা বসে বসেও প্রবীরের মুখের দিকে চোখ রেখে বোঝার চেষ্টা  করবার মাঝে লম্বা শ্বাস ফেলে যাচ্ছে নিরন্তর।

সেদিন  ঘটনাটা বুঝতে  না পেরে  সুমনা প্রথম প্রবীরকেই ফোন করে পুরো ব্যাপারটা জানায়, অন্যদিনের মত সুমনা তিতিরকে স্কুল বাস থেকে নামাতে যায়, ওকে সেদিন কেমন একটা লাগছিল, সুমনা রাস্তাতেই দু’বার  শরীর খারাপের কথা জিজ্ঞেস করলেও তিতির কোন উত্তর দেয়না, কোন কথাও বলে না।কয়েকদিন আগেও পাড়ার কুকুরগুলোর দিকে তাকিয়ে সুমনাকে প্রশ্ন করে, ‘ মা, এদের বাবার নাম কি? এটা ঐ লালুর বাচ্চা? কাল স্কুল  আসার সময়  বিস্কুট আনবো।‘

 সেদিন চোখ মুখটা কেমন যেন কালো লাগছিল।সুমনা রাস্তাতেই জিজ্ঞেস করে,‘মিস বকেছেন?ঝগড়া করেছিস?’কোন উত্তর নেই।বাড়ি ফিরে স্কার্টের পিছনে ধুলো আর রক্তের দাগ দেখে একটু চমকে ওঠে, ‘এই পাঁচ বছর বয়সে!’ প্রবীরকে ফোন করতেই বলে ,‘ না গো তুমি যেমন ভাবছ তেমনটা নাও হতে পারে, তাও যদি তোমার কোন সন্দেহ হয় ডাক্তারকে একটু ফোন করে নাও।‘

একটু যেন হাঁপ ছেড়ে বাঁচে সুমনা, প্রবীর প্রথম থেকেই এত কস্টলি স্কুলে তিতিরকে  ভর্তি করতে চাইছিল না।প্রথম দিকে বেশ গোঁ ধরেই বসে ছিল,‘এখন বাড়িতে পড়ুক, বয়স হলে সরকারি স্কুলেই ভর্তি করে দেব।‘ প্রবীরের এক বন্ধু একদিন বাড়িতে এসে কথা বলবার ফাঁকে বলে, ‘ সরকারি স্কুল! ওতো রেশনের দোকান।’ তার পরেও অবশ্য তিতিরের ভর্তির কথা শুনেই বলে উঠত,’ দাঁড়াও, সব কিছু একটু ম্যানেজ করি,অফিসের অবস্থাও ভালো নয়, বিয়ের লোনও শোধ হয় নি, রোকড়া তো লাগবে। ‘

 –শহরে কি একটাই স্কুল ,  যেটা ভালো মনে হবে, সস্তা হবে সেখানে যাবো।

 তারপর থেকে তিতিরকে নিয়ে শহরের অনেক স্কুলের দরজায় দরজায় ঘুরে ভর্তির ব্রসিওর জোগাড় করতে আরম্ভ করে।সুমনা একাও গেছে, ‘এই স্কুলেও ভর্তি হবার আগে দুজনেই অনেকবার এসেছে, চিন্তা করেছে, নিজেদের মধ্যে দু’একবার ঝগড়াও হয়ে গেছে।‘

সেদিন  প্রবীরকে ফোন করবার পরেই স্কুলের জুনিয়র সেকসেনের  হেডমিসকেও ফোন করে।উনি অবশ্য কোন কথাতেই কান  না দিয়ে, পরিষ্কার বলে দেন,‘দেখুন মিসেস বোস উই টেক ফুল কেয়ার অব আওয়ার স্টুডেন্টস,ডোন্ট ওরি, ইট মে বি ফর এনি আদার……..।‘

 ফোনটা  সুমনাকে মাঝখানেই থামিয়ে দিতে হয়, তিতির তখন ব্যথায় ছট ফট করতে আরম্ভ করেছে।সুমনা ফোনটা কেটেই তিতিরের কাছে এসে’ কি হয়েছে মা?’ জিজ্ঞেস করতেই তিতির বলে ওঠে, ‘ পেটে  ব্যথা করছে।‘

 –পেটে ব্যথা! পটি যাবি?

– না, টয়লেট যাবো।

সুমনা তিতিরকে টয়লেটে নিয়ে যেতেই তিতির টয়লেট করে , লাল টয়লেট।সুমনা চমকে ওঠে, ‘রক্ত!’

 কিছু ভাববার আগেই তিতির যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যায়, সঙ্গে সঙ্গে এক চাইল্ড স্পেসালিস্টকে ফোন করে পুরো ঘটনাটা বলতেই উনি ইমিডিয়ট হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন।সুমনার হাত পা ঠাণ্ডা হয়ে যায়, কিভাবে নিয়ে যাবে, প্রবীর থাকলে বাইকে করেও নিয়ে যাওয়া যেত, কিন্তু অফিস থেকে প্রবীরের  আসতেও তো এক ঘন্টা লাগবে, তাও যদি ছুটি পায়, কয়েকদিন আগেই বলছিল, ‘ দিন দিন  ডি.এম অফিসে চাপ বাড়ছে , এখন থেকে বাড়ি ফিরতে দেরি হবে।‘ সেদিন দ্বিতীয় বার ফোন করতেও খারাপ কিছু বলেনি শুধু  বলে, ‘পাশের বাড়ির কাউকে নিয়ে তাড়াতাড়ি যাও আমিও আসছি।‘

 সুমনা পাশের বাড়ির একটা মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যেতেই ডাক্তার বাবুর  প্রাথমিক দেখে বলেন, ‘আপনি হাসপাতালে ভর্তি করে দিন, ওকে অবর্জাভেশনে রাখতে হবে।‘

-অরর্জাভেশন! কেন?

-মনে হচ্ছে পেনিট্রেশন হয়েছে।

– হোয়াট ডু ই উ মিন, পেনিট্রেশন এইটুকু বাচ্চা মেয়ের?এটা কিভাবে সম্ভব?

 –সেটা তো আমি বলতে পারব না।

মুহূর্তের মধ্যে পায়ের নিচ থেকে কেউ যেন একটানে মাটিটা সরিয়ে নেয়।একি অবস্থা, সুমনা দাঁড়িয়ে থাকে, আর দুটো চোখ থেকে জল গড়িয়ে যায়।কি করবে কার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করবে ভাবতে ভাবতেই প্রবীর আসে।সুমনা প্রথমে কিছু কথাই বলতে পারে না, প্রবীরের বুকের মধ্যে মুখটা গুঁজে হাউ হাউ করে কেঁদে ওঠে।প্রবীর হাসপাতালের মধ্যেই সুমনার মাথায় হাত বুলিয়ে সব কিছু শোনে।পেনিট্রেশন শব্দটাতে প্রবীরও চমকে ওঠ।হাসপাতালে তিতিরকে এক বেড থেকে আরেক বেডে নিয়ে যাওয়া হয়, কিছুক্ষণ পরেই ডাক্তারবাবু বেরিয়ে এসে বলেন, ‘ ভয়ের কিছু  নেই, পেনিট্রেশনটা ডিপ নয়, মানে খুব বেশি ভিতরে কিছু হয় নি, তাও দু’তিনটে দিন একটু ওয়াচে রাখি।‘

সুমনার মাথায় অন্য চিন্তা আসে,‘প্রেনিট্রেসন, কিন্তু কোথায়, বাসে না স্কুলে ?’

সুমনা তারপরেই পাশের বাড়ির ঐহিকীর মাকে ফোন করে।ঐহিকী ক্লাস সেভেনে পড়ে, একসাথেই এক বাসে যাতায়াত করে। কিন্তু ওকে ফোন করেও কোন উত্তর পেল না, শুধু  শুনল,‘আন্টি, আজ বাসেও তিতির  চুপচাপ ছিল, ওর কি শরীর খারাপ?’

 -হ্যাঁ, একটু শরীর খারাপ।

তার পরের দিন প্রবীর অফিস কামাই করে স্কুলে যায়, কিন্তু মর্নিং সেকসেনের হেডমিস বা ক্লাস টিচার কেউই দেখা করেনি, এমনকি প্রবীরকে ওয়েট করবার জন্যও বলেনি।সুমনাকে ব্যাপারটা বলতেই চোখ মুখ শক্ত হয়ে ওঠে, সেদিন থেকে ভয় পাচ্ছিল, এই বুঝি  প্রবীর কিছু বলে, এই স্কুলে পড়বার ব্যাপারে জোর করবার জন্য খোঁটা দেয়, তাও সুমনার নিজের খুব খারাপ লাগে, অপরাধী মনে হয়, ঘটনার জন্য দায়ী মনে হয়।হাসপাতালে প্রথম দিন সুমনা রাতেও ছিল, পরের দিন হাসপাতালেই ঐহিকী নিজের থেকেই সুমনাকে ফোন করে, সুমনা তার ফোনটা রেখেই আবার মর্নিং সেকসেনের হেডমিসকে ফোন করে, উনি ফোন রেখে দিতে চান, সুমনা জোর করে, পুলিশের কথা বলে, কিন্তু হেডমিস ফোন কেটে সুইচ্ট  অফ করে দেন।পাশে দাঁড়িয়ে থাকা প্রবীর জিজ্ঞেস করে, ‘ কি বলল?’ সুমনা একটা লম্বা শ্বাস নিয়ে বলে ওঠে, ‘কাল আবার স্কুল যেতে হবে।‘

অবশ্য স্কুলে গিয়ে কাউকে কিছু নতুন করে বলতে হয় নি, অন্যান্য অভিভাবকরা আগের থেকেই খবর পেয়ে চলে আসে, স্কুলের গেটে বিক্ষোভও দেখাতে আরম্ভ করে, সঙ্গে পাড়ার কয়েকটা ক্লাবের সদস্য বা তাদের বাড়ির মহিলা সদস্যরাও আসে।অনেকেরই হাতে প্ল্যাকার্ড, কেউ কেউ আবার মুখে কালো কাপড়ও বেঁধে নেয়।ঐহিকীই প্রথম কয়েকটা মেয়েকে নিয়ে এসে বাকি সবার সাথে সুমনাদের আলাপ করিয়ে দিয়ে বলে,‘ গত কাল ক্লাসের একটি মেয়ে আমাকে তিতিরের কথা বলে, ও দেখেছিল, কম্পিউটার ক্লাসের নতুন একজন স্যার এসেছেন, তিতিরকে প্রায় ডাকতেন, গেম খেলতে দিতেন,কিন্তু সেদিন উনি যেটা করেন সেটা কোন মতেই মেনে নেওয়া যায় না।‘

আরো সব গাডির্য়ানরা এসে সুমনাদের নানা রকমের কথা বলতে আরম্ভ করে।

সুমনার সে’সময়েই মনে পড়ে কয়েক সপ্তাহ আগেই তিতির একদিন একটা বার্বি পুতুলের পোশাকটা তুলে  দেখিয়ে বলে, ‘ মা দেখ এটা টয়লেট করবার জায়গা।‘ সুমনা একটু অবাক হয়, বকে, জিজ্ঞেস করে, ‘ কার কাছে শিখলি?’ তিতির সেদিন কিছু একটা বলতে গিয়ে থেমে যায়, কিছুক্ষণ পরে বলে, ‘ গড পাপ দেবে।‘ সুমনা আর কিছু জিজ্ঞেস করে না, ভুলেও যায়। তার পরেও একদিন বলে, ‘ মা কম্পিউটার স্যারটা খুব ভালো, খুব আদর করে।‘ প্রবীরকে কথাটা বলতেই উত্তর শোনে,’ এই রকম একটা পুতুলের মত মেয়ে দেখে যে কেউ আদর করবে।‘ কিন্তু সেই আদরের ভিতর যে এত কিছু থাকতে পারে সেটা সুমনা একবারের জন্যেও ভাবতে পারে নি। অনেক গাডির্য়ানরা এসে এই সব কথাও বলতে আরম্ভ করেছিল।পুলিশ তখনও কিছু করে নি, কাউকে কিছু বলেও নি।উচু ক্লাসের মেয়েরাই প্রিন্সিপালের গাড়ি আটকাতে চেষ্টা করলে একবার পুলিশ সেদিকে গিয়ে তাঁকে স্কুলে যেতে সাহায্য করে।কয়েকজন টিচারও সেই ফাঁকে স্কুলে ঢুকে যায়, বাকিদের ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয় নি, স্লোগান আরম্ভ হয়, বিভিন্ন মিডিয়া এসে কভার করতে আরম্ভ করে।সুমনা বা প্রবীর দুজনের কেউই মিডিয়ার সামনে একটা কথাও বলেনি, অন্য আরেকজন কথা বলে, সব জানানোর চেষ্টা করে।কিছু সময়ের মধ্যেই প্রিন্সিপাল কয়েকজন গার্ডিয়ানকে প্রতিনিধি হিসাবে ডাকেন।তাঁরা স্কুলের ভিতর  যান, কথা বলেন, ফিরে আসেন, কিন্তু  সমাধানের কোন সূত্র বের হয় না।গাডির্য়ানরা রেগে ওঠে, একজন বলে,’ ব্যাপারটা শুধুমাত্র ওনাদের মেয়ের ব্যাপার নয়।‘

-তাহলে উপায় ?

-উপায় একটাই,  স্কুলের গেট বন্ধ করে বসে থাকছি, সবাই ভিতরে পচে মরুক। 

 কথাগুলো শুনেই সবাই  বেশ উত্তেজিত হয়ে স্কুলে গেটের আরো কাছে জড়ো হয়ে স্কুলের বিরুদ্ধে স্লোগানিং আরম্ভ করে, কেউ কেউ স্কুলের গেটে লাথি মারতে আরম্ভ করে, স্কুলের জানলাতেও ইঁট লাগে।কয়েকজন  অভিভাবক স্কুলে ভিতর ঢুকতে যাওয়া দুজন মিসকে ঘিরে ধরে জিজ্ঞেস করে,‘ স্কুলের ভিতর কি করে এমন হল ?’ পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে যায়, পুলিশের সংখ্যা বাড়তে আরম্ভ করে, পুলিশকে ঘিরে রেখেও বিক্ষোভ চলে, মুখের কথার থেকে ধ্স্তাধস্তি আরম্ভ হয়, কয়েকজনকে জোর করে পুলিশ ভ্যান তোলবার চেষ্টা করতেই বাকি সবাই পুলিশের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, পুলিশও আচমকা লাঠি চার্জ আরম্ভ করে দেয়,ঠিক সেই সময় স্কুলের ভিতর থেকে মাইকে শোনা যায়, ‘ প্রবীর ও সুমনা বোসকে ভিতরে ডাকছে।‘ দুজন আস্তে আস্তে গেটের কাছে আসতে আরো অনেক গার্ডিযান তাদের সঙ্গে ভিতরে যাবার কথা বলে, কিন্তু স্কুলে দুজন ছাড়া আর কাউকে ভিতরে ঢুকতে দেয় না।বাকি সবার চোখের দিকে তাকিয়ে প্রবীররা ভিতরে যায়, চাপা গুঞ্জন আর অস্বস্তির মধ্যে দাঁড়িয়ে সময় গুনতে থাকে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকশ মানুষ, এমনকি পুলিশও।মিনিট কুড়ি পরে স্কুলের গেট খোলে, প্রিন্সিপালের গাড়ি বেরোয়, ভিতরে প্রবীর ও সুমনা, পুলিশের মাধ্যমে বাইরের ভিড় ঠেলে গাড়ি বেরিয়ে যাবার আগে, প্রবীর উইনডোর কাচ নামিয়ে বলে যায় ‘আপনারা বাড়ি চলে যান, আগামীকাল থেকে স্কুল হবে।‘

 নতুন শহরে তিতিরের নতুন এই স্কুল সকাল নটার থেকে, আগের স্কুলের মত সকাল সাড়ে সাতটা থেকে নয়, সুমনা কিছুটা রান্না করে যেতে পারে, প্রবীরও এস.ডি.ও অফিসে বদলি হয়ে গেছে, অফিস থেকে ফিরে প্রতিদিন তিতিরকে নিয়ে বাইরে ঘুরতে যেতে পারে, সপ্তাহের শেষে মাঝে মাঝে আত্মীয়দের বাড়িতে চলে যায়।শুধু  তিনজনেরই ভিতরের ভয়টাকে বাইরের কেউ বুঝতে পারে না, সুমনা ফোন এলেই চমকে ওঠে, তিতিরকে একা ঘরের ভিতরে বাথরুমেও ছাড়ে না, প্রবীর রাতে ঘুমের মধ্যে প্রিন্সিপালের অফিসে  ভিডিও কনফারেন্সে আসা ডি.এমকে দেখতে পায়, কানের কাছে প্রিন্সিপালের রুমের ভিতরে সেদিনের ভিডিও কনফারেন্সের মতই বলেন,  ‘চেপে যান, আপনার মেয়ে অন্য স্কুলে ভর্তি হয়ে যাবে, কোন টাকা লাগবে না, টিউসন ফিসও না, আপনাকেও এস.ডি.ও অফিসে ট্রান্সফার করে দিচ্ছি।‘

আর তিতির! প্রতি সপ্তাহেই ডাক্তার দেখাতে হয়, কাউন্সিলিং করাতে যেতে হয়, কেউ আদর করতে গেলেই সরে যায়, এমনকি প্রবীরকেও বলে, ‘বাবা, তুমি পুতুলের টয়লেটের জায়গায় হাত দিও না, ও ব্যথা পাবে, রক্ত, লাল লাল টয়লেট।’



ঋভু চট্টোপাধ্যায়

নাম-সৌগত চ্যাটার্জী। লেখক হিসাবে নাম- ঋভু চট্টোপাধ্যায়। বাসস্থান-দুর্গাপুর, পশ্চিম বর্ধমান। শিক্ষা-ইংরাজি সাহিত্যে এম .এ, বি.এড। পেশা - সরকারি স্কুল শিক্ষক। লেখা- বাংলা ও ইংরাজিতে, কবিতা গল্প, প্রবন্ধ। প্রকাশিত লেখা - আনন্দ বাজার, তথ্যকেন্দ্র, আরম্ভ, গৃহশোভা, সহ আরো অনেক পত্রিকাতে। পুরস্কার - আমাদের কফি হাউস পুরস্কার, নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলন কবিতা বিভাগে দ্বিতীয় পুরস্কার, শিবপুর শাখা, চুচুড়া শাখা।

0 Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।