শূন্য থেকে নিক্ষেপিত যে পঞ্চবাণ

চন্দ্রানী গোস্বামী on

sunyotheke_nikkhepito

যতবার কলঘরে নগ্ন হয়েছি,
বুঝেছি শূন্য আদতেই একটি সংক্রামিত অসুখ।

সাঁকোটা মৃতকল্প এক প্রকার। তবু
চাঁদের অপেক্ষা করে দাঁত কামড়ে, চাঁদ বড়ো একরোখা।

ঢেউ দাও ঢেউ দাও — বলে কে যেন দু’বেলা হাঁক দেয়।
অথচ কে না জানে, জীবনে ঢেউ দু’বার আসে না।

তৃতীয় বিশ্ব!
তোমার চোখেই ছিরিছাঁদহীন নিজেকে চিনেছি।

চারের পিঠে সংখ্যা বসে গেল! এখনও
আবাগীর মেঘ দেখলে তলপেটের বিঘৎ নীচে বৃষ্টিটা ভিজতে ভিজতে ফিরে আসে।

পাঁচ আঙ্গুলই চেতনাহীন
ঘরে হাওয়া তবুও ঢোকে। সেভাবেই মেঘলা হয় দিন।
হৃদয় এখন নির্বিকার।



চন্দ্রানী গোস্বামী

জন্মঃ মে, ১৯৭৭, দক্ষিণ কলকাতার যাদবপুর অঞ্চলে।ছোটবেলায় বেড়ে ওঠা একান্নবর্তী পরিবারের উদারপন্থী খোলা বাতাসে। অত্যন্ত মধ্যবর্তী পরিবার, তাই জীবন খানিক সংগ্রামের রূপ। ছোট থেকেই বই পড়ার নিয়মিত অভ্যাস ছিল। পড়াশুনোঃ প্রথমে যাদবপুর সম্মিলিত বিদ্যালয় তারপর দক্ষিণ কলকাতার নামকরা অভিজাত কমলা গার্লস স্কুলে।যোগমায়া দেবী কলেজ থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞান নিয়ে স্নাতক তারপর কলকাতা বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। কর্মজীবনঃ দক্ষিণ কলকাতার একটি কলেজে একাউন্টস ডিপার্টমেন্টে করনিকের পদে চাকরি করি আর অফুরন্ত লেখার স্বপ্ন দেখেন। বিশেষ আগ্রহ: ছোটবেলায় উপহার পাওয়া ডাইরিতে কবিতা,গল্প লেখা।বই পড়ার খুব নেশা ,বিশেষত কবিতার বই। রবি ঠাকুরের শিশু ভোলানাথ জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ।আবোলতাবলে আজও বেঁচে থাকার হাসি খুঁজে পান। সুনীল সাগরে ভেসে শঙ্খর শক্তি নিয়ে এগিয়ে চলাই প্রেরণা। ছেলে সবচেয়ে বড়ো সমালোচক। প্রথম "উত্তরভূমিকা" পত্রিকায় শ্রদ্ধেয় গৌরাঙ্গ সিনহার উৎসাহে আত্মপ্রকাশ।লেখা ছাড়া মনের খুশিতে গান শুনতে আর পাহাড় ঘুরতে ভালোবাসেন।

0 Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।