নীলাদ্রি দেব-এর কবিতা

নীলাদ্রি দেব on

niladri_deb_kobita

এর সবটা কবিতা নয়

এসব
এমন সমস্তটার শেষে
শুকনো বিদ্যুৎ ও সীমানা প্রাচীর
আলোর ভেতরে আলো গেঁথে দিলে
যতটা অন্ধকার প্রয়োজন
চুঁইয়ে
বোধিগাছের পরাগ সংযোগ
ফড়িংএর ডানায় ছায়া
আমাদের আইবল মুভমেন্ট ও অন্যান্য
শূন্য আস্তিনের পাশেই টিকিট, শেষ স্টেশন

গল্প

মাঠ সংক্ষিপ্ত হয়ে আসছে
এটা বড় কথা নয়
বরং মেঘ নিয়ে কথা হোক
মেঘের শরীর কেটে যাবতীয় জ্যামিতি
আর ম্যাজিক রঙের পৃথিবীতে
সমস্ত গল্পই ভীষণ অসম্পূর্ণ

সরীসৃপ

অনন্ত আকাশের পেটে মানুষেরই ছায়া
ছায়া বাড়ে, ছায়া কমে
মানুষের বিপ্রতীপে বর্গক্ষেত্রের ভেতর
ঋতু পরিবর্তন হয়
তির্যক রেখা দুটো ছেদ করে, বিন্দু
চুইয়ে পড়ছে আলো
অস্তিত্ব থেকে গড়িয়ে নামছে
শীতঘুম পরবর্তী সরীসৃপ

ছায়া

অস্ত্রসঙ্গীতের নির্দিষ্ট একটি সুর আছে
বন্ধুঋণগুলো উহ্য থাক
সাপলুডো থেকে সাধারণত একটি মেরুদণ্ড
ইউক্যালিপটাস হয়ে ওঠে
কোথায় প্রাজ্ঞবন, সিনথেটিক ফিল্ড টার্ফ
ছায়াহীন ঘোড়দৌঁড়ই
ছায়াকে অবিশ্বাস করতে শেখায়

এর সবটা কবিতা নয়

এসব
এমন সমস্তটার শেষে
শুকনো বিদ্যুৎ ও সীমানা প্রাচীর
আলোর ভেতরে আলো গেঁথে দিলে
যতটা অন্ধকার প্রয়োজন
চুঁইয়ে
বোধিগাছের পরাগ সংযোগ
ফড়িংএর ডানায় ছায়া
আমাদের আইবল মুভমেন্ট ও অন্যান্য
শূন্য আস্তিনের পাশেই টিকিট, শেষ স্টেশন


ফেসবুক অ্যাকাউন্ট দিয়ে মন্তব্য করুন


নীলাদ্রি দেব

জন্ম 14 এপ্রিল 1995, কোচবিহারে। শারীরবিদ্যা নিয়ে স্নাতক স্তরে পড়বার সময় থেকেই সক্রিয় ভাবে কবিতাচর্চ, কবিতার পাশাপাশি ব্যক্তিগত গদ্য, নিবন্ধ নিয়মিত লিখছেন লি'ল ম্যাগ, ওয়েব ম্যাগ, দৈনিক পত্রপত্রিকায়। বর্তমানে শিক্ষকতার সাথে যুক্ত। আছেন 'বিরক্তিকর' সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীতে। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ- ধুলো ঝাড়ছি LIVE (2016), জেব্রাক্রসিং ও দ্বিতীয় জন্মের কবিতা (2019), এবং নাব্যতা (2019)। কবিতায় তীব্র বাঁচতে চান. ভালবাসেন লোকজীবন, প্রকৃতির কাছে গিয়ে দাঁড়াতে। কেন লেখেন? "প্রতিদিন এত মানুষের সাথে থাকার পরও, কেন জানি না, আমি ভীষণ একা। একা থাকা কেউ সবার আগে টার্গেট করে নিজেকে, আমিও। আমি খুঁড়ি, বাইরে থেকে হয়তো মনে হয় কবিতা লিখছি।"

0 Comments

মন্তব্য করুন

Avatar placeholder

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।