সম্পাদকের প্রতি

দেবাশিস সাহা on

বাগানের মালীর ন্যায় ভূমিকা একজন প্রকৃত সম্পাদকের। পত্রিকা প্রকাশের জন্য একজন সম্পাদক প্রয়োজন। সেই সম্পাদককে হতে হবে কাঠকয়লা।বুকে থাকবে জ্বলে উঠবার প্রস্তুতি।   লোভ লালসা যশ প্রতিষ্ঠার মোহ ত্যাগ করতে হবে।   তবেই সে প্রতিবাদী হতে পারবে। Give & take policy থেকে নিজেকে মুক্ত করতে হবে। কালো কে কালো সাদা কে সাদা বলার সাহস রাখতে হবে। লেখা নির্বাচন করার জন্য  নিজেকে পড়াশোনা  খোঁজখবর রাখতে হবে। কাকে দিয়ে কি লেখানো যেতে পারে সে ব্যাপারেও যথেষ্ট অভিজ্ঞতা ও মুন্সিয়ানা থাকতে হবে। ভালো লেখা ও লেখককে সমাদর করতে হবে।  আবার খারাপ লেখাও নির্মম ভাবে বাদ দিতে হবে।    সম্পাদককে হতে হবে জহুরী। পাথর ও  মুক্তোর তফাত জানতে হবে। পত্রিকার প্রচ্ছদ অলংকরণ নিজের চোখে দেখে নিতে হবে।আঙ্গিক থেকে প্রচ্ছদ সব কিছুই হবে রুচিসম্মত।   লেখার সূচি হবে লেখার গুনে। প্রতিষ্ঠিত লেখকের লেখাও ভালো না হলে বাদ দেবার মতো বুকের পাটা থাকতে হবে। পাশাপাশি নতুনদের দিয়েও পরীক্ষামূলক লেখা লেখাতে হবে।    


সম্পাদককে সাহসী হতে হবে।সতর্ক থাকতে হবে প্রতিনিয়ত। চোখ কান খোলা রাখতে হবে।    বানান ও ভাষায় দখল থাকা জরুরি।   বিষয় নির্বাচনে সাহসের নজির রাখতে হবে। সততা একজন সম্পাদকএর অলংকার। ভালো সম্পাদক না হলে ভালো পত্রিকা হবে না।



দেবাশিস সাহা

জন্ম-০১.০১.১৯৭০, শিক্ষা - স্নাতক। পেশা-ব্যঙ্ককর্মী। নেশা- গাছ পোষা।কাব্যগ্রন্থ- ১.মা,আমি তোতন বলছি ২.কুড়িয়ে পাওয়া অক্ষরঘুম ৩.প্রজাপতি রঙের গ্রাম.৪.গাছ পুরাণের দৃশ্যকল.৫.পোষা মৃতদেহ. ৬.রাস্তা ভর্তি চাঁদ. ৭.সার্কাস জীবন. ৮.সম্পর্কের পাতাবাহার. ৯.দেখা শেখার স্কুল. ১০.আলোদের ঈশ্বর ।পুরস্কারঃ রামমোহন লাইব্রেরি থেকে কবিতা র জন্য। উন্মুখ পত্রিকার জীবনানন্দ স্মৃতি পুরস্কার।সম্পাদনাঃ ২০০৪ থেকে "ছাপাখানার গলি" , আলোচনার কাগজ।

0 Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।