ত্বক, পেশি এবং নরম স্নায়ু

সিদ্ধার্থ দাস on

twak_peshi_ebong_norom_snayu

(১)

আদর-মাসের কালো জন্তুটাকে হজমে বসাই
চোয়ালে চাঁদ ও ময়দার কুস্তি –
কাদা কাদা অন্ধকার

এই মুখের অসুখ আমার মুখোশ ও ছায়ার নিচে
পর্দা গজিয়ে তোলে

খালি চেয়ার গুলোতে এদিকে মেরামত হয় তন্ত্র
টেবিলের তিন দিক থেকে সেবা
চেপে ধরে – জল, চামচ আর সাঁড়াশি

এবার চাঁদে জন্তুটার হাড়গোড় ফেলি
মজ্জা ধরে চুষি
রং ফ্যাকাশে হয়ে এলে
বকেয়া আগুন মেটাতে প্লেট থেকে নামি
গোটা একটা জঙ্গল ধরে আনি ফাঁদে

এভাবেই দিন উড়িয়ে আমার
বাকল মোচন হয়…

(২)

শরীরে থেকে যারা বেয়াদপি করল
তাদের দোলন ও কোটরে আবার
জলাশয় নামাই
যার গভীরতা মাপতে-
মাটি মাটি গন্ধ হয়
কাছারি

জল এলো বলে কুমিরও আসে
তার ছালের ভেতর কাঁঠালের নরম কোয়া গুলো
হলুদ হতে দেখি

বদলে যায় জল ও মাটিতে আমার
আলাদা আলাদা সাঁতার

(৩)

ভেস্তে যাওয়া আলো জুড়ে পড়ে থাকে
বর্ণ ভুলের মাসুল

যার এক পলকে ঘোলাটে-ভাব
আর এক পকেটে পানীয়

প্রথমে সুর্মা টানা হয়
তারপর হালকা আতর এবং শেষে
ঢেলে দেওয়া পানীয়তে আমার
কাঠামো দাঁড়ায়

এই পরিসরে ঘটে বৃষ্টি অথবা মস্তিষ্ক চুরির ঘটনা

বিবর্তনবাদ ডিঙিয়ে আমার ইশারায়
সাদাটে হয়ে আসে
মিতা


ফেসবুক অ্যাকাউন্ট দিয়ে মন্তব্য করুন


সিদ্ধার্থ দাস

জন্মঃ ১৯৮৭ সালে। শৈশব ও বেড়ে ওঠা দক্ষিন দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট শহরে। ইতিহাসে স্নাতকোত্তর হলেও সাহিত্যের প্রতি রয়েছে বিশেষ অনুরাগ ।লেখালেখির শুরুটা অনেক ছোট বেলায় একটা মৌমাছির গল্প থেকে, যেটা পড়ে মা বলেছিলেন- বাহ ,দারুন হয়েছে। তারপর চলেছে স্কুল ম্যাগাজিন থেকে লিটল ম্যাগাজিন থেকে দু'একটা দৈনিক পত্রিকায় লেখার কাজ। সকলই বন্ধু বান্ধবের হাতে হাত রেখে। এছাড়াও ছবি আঁকতে ভালবাসেন। রঙ এবং শুধুই রঙে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। মুলত আঁকেন বিমূর্ত চিত্র।

0 Comments

মন্তব্য করুন

Avatar placeholder

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।