শৈশব

চন্দ্রানী গোস্বামী on

একটা পুরোনো রোদের ভাষা ক্রমাগত
বয়ে যাচ্ছে আমার চোখে হাতের আঙুলে,
তাকে লিখতে পাব না জেনেও কাটিয়ে দিচ্ছি দিন

ফেলে আসা রোদ্দুর, চেনা রাস্তাঘাট,
আবছায়া নদীর পাড়, ঘুম আর স্মৃতি বিস্মৃতির তোরঙ্গে শুয়ে থাকা পুরোনো গরম কাপড়ের
সাথে দমকে ওঠা আশ্চর্য হাসির গন্ধ ;

এই কাহিনীগুলোই ক্রমশঃ হেলে হেলে সরে যাচ্ছে দূরে….

এক অবিরাম অর্থহীন প্রলাপ ,
ওই দ্যাখো, ভ্যানগখের নক্ষত্রময় রাতের
আকাশের মতোই হারিয়ে যাচ্ছে আমার শৈশব…..

তুমি বারবার যাকে অলীক বলছো
আমি তাকে বিষাদ জেনেও আঁকড়ে রেখেছি সন্তর্পণে,
সেই বিষাদই আলো হয়ে ঝরে….


চন্দ্রানী গোস্বামী

জন্মঃ মে, ১৯৭৭, দক্ষিণ কলকাতার যাদবপুর অঞ্চলে।ছোটবেলায় বেড়ে ওঠা একান্নবর্তী পরিবারের উদারপন্থী খোলা বাতাসে। অত্যন্ত মধ্যবর্তী পরিবার, তাই জীবন খানিক সংগ্রামের রূপ। ছোট থেকেই বই পড়ার নিয়মিত অভ্যাস ছিল। পড়াশুনোঃ প্রথমে যাদবপুর সম্মিলিত বিদ্যালয় তারপর দক্ষিণ কলকাতার নামকরা অভিজাত কমলা গার্লস স্কুলে।যোগমায়া দেবী কলেজ থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞান নিয়ে স্নাতক তারপর কলকাতা বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। কর্মজীবনঃ দক্ষিণ কলকাতার একটি কলেজে একাউন্টস ডিপার্টমেন্টে করনিকের পদে চাকরি করি আর অফুরন্ত লেখার স্বপ্ন দেখেন। বিশেষ আগ্রহ: ছোটবেলায় উপহার পাওয়া ডাইরিতে কবিতা,গল্প লেখা।বই পড়ার খুব নেশা ,বিশেষত কবিতার বই। রবি ঠাকুরের শিশু ভোলানাথ জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ।আবোলতাবলে আজও বেঁচে থাকার হাসি খুঁজে পান। সুনীল সাগরে ভেসে শঙ্খর শক্তি নিয়ে এগিয়ে চলাই প্রেরণা। ছেলে সবচেয়ে বড়ো সমালোচক। প্রথম "উত্তরভূমিকা" পত্রিকায় শ্রদ্ধেয় গৌরাঙ্গ সিনহার উৎসাহে আত্মপ্রকাশ।লেখা ছাড়া মনের খুশিতে গান শুনতে আর পাহাড় ঘুরতে ভালোবাসেন।

0 Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।