নাগকেশরের ফুল

অমর্ত্য বন্দ্যোপাধ্যায় on

১.
 
সন্ধেবেলাকার যাদবপুর ক্যাম্পাসে একটা মায়া কাজ করে। কি শীত কি গ্রীষ্ম – বর্ষা হোক কি শরৎ, হেমন্ত কি বসন্ত – যাদবপুর থাকে যাদবপুরেই। অন্তত সুস্নাতর তাইই মনে হয়ে এসেছে চিরটাকাল। প্রেমের কথা বরং থাক। মিলনদার ক্যান্টিনে বসে পোস্টার লেখা থেকে শুরু করে – বকুলতলায় চা-জলখাবার। এই ক্যাম্পাসটার মধ্যে একটা সাতরঙের মায়া ছড়িয়ে আছে। যাদবপুরে না এলে পরে – তা বোঝার নয় … “এই শহীদের রক্তঋণ ব্যর্থ হতে দিচ্ছি নাআ! দেবো নাআ!” শ্লোগানটা কানে আসতেই সুস্নাত টান হয়ে বসলো। এতক্ষণ যে চায়ের কাপে সে চুমুক দিচ্ছিলো, তাও আর তেমনটা গুরুত্ব পেলো না। সন্ধে হয়ে আসছে। মিছিলে যেতে হবে।
 
সুস্নাতরা বামপন্থী। বাইরে থেকে লোকে ওদের ‘নকশাল’ বলে গালমন্দ করে। ক্যাম্পাসে বসেও ওরা নাকি গাঁজা খায় – এমনটা প্রচার করে। সবটা সত্যি নয়। সবটা মিথ্যে নয়। নিকারাগুয়ার উপরে পোস্টার লিখতে গেলেও, যে অন্তত নিকারাগুয়ার নামটা জানা প্রয়োজন – তার ইতিহাসটা জানা প্রয়োজন, এটা বোঝে না কেউ। সুস্নাতকে এভাবেই বুঝিয়েছিলো নীলোৎপল। ওদের নীলুদা। ইউনিয়নের জিএস। আবার পড়াশোনাতেও নেহাত খারাপ নয়। রাজনীতি করলেই ছেলেরা বখে যায় – এ ধারণাটা ভুল, নীলুদাই ওদেরকে শিখিয়েছিলো। আর্টসের যে মেয়েটা কনভোকেশনে মেডেল পায়, সেও রাজনীতি করে। এসব যাদবপুরে এসেই জানতে শেখা। সুস্নাত মিছিলে পা মেলায়। সুস্নাত এঞ্জিনিয়রিং-এর স্টুডেন্ট। মেক্যানিক্যাল, থার্ড ইয়ার।
 
মিছিল শেষে পা-গুলো সব চেনা রাস্তা খোঁজে। কেউ যায় চায়ের দোকানে – কেউ বা মেসে ফেরে। কেউ বা এসে বসে বড় মাঠটার উপর। সিগারেটের ধোঁয়া অথবা গীটার বাজিয়ে গান, কবিতার মতোই একেকটা আড্ডার সার্কল জমে ওঠে। সুস্নাতরা দুজনে ঝিলপাড়ে এসে বসে। সুস্নাত আর সুদেষ্ণা। মেক্যানিক্যাল আর ইলেক্ট্রিকাল। দুজনেই রাজনীতি করে। দ্বিতীয়জন সেকেন্ড ইয়ার। একব্যাচ জুনিয়র, কাজেই সুস্নাতদা বলে ডাকতে হয়। সম্পর্কটা এখনও “ওগো, শুনছো” অবধি পৌঁছায়নি। ওসব যাদবপুরে চলে না। এখানে কাউন্টারে সিগারেট চলে। আর চলে খোলামেলা আলোচনা, তর্ক আর চুলোচুলির হিসেব। আর মাঠের চারপাশে যারা ফাঁকতালে ঢুকে পড়ে, প্যানপ্যানানি প্রেমের টিপিক্যাল আড্ডা বসায়, তারা বহিরাগত।
 
ফিসফিস করে ওরা কথা বলছিলো, নাকি প্রেম করছিলো ? আকাশ আর মধুরিমাও এসে বসলো। নীলুদাও এলো। সুন্দর যে একটা মিষ্টি হাওয়া দিচ্ছিলো, সুস্নাতর যে আরও অনেকক্ষণ সুদেষ্ণার দিকে চেয়ে থাকতে ইচ্ছে করছিলো – সেই ইচ্ছেটাও মরে গেলো হঠাৎ। আকাশ আরেকটা সিগারেট ধরালো। জোর গলায় মধুরিমাকে বললো গান ধরতে। গানের তো গ-টুকুও বেরুলো না। চেঁচামেচি, হইহট্টগোল করতে করতেই আরও অনেকে এসে জুটলো। মিটিং, জিবি, পরের দিনকার এজেন্ডা, পোস্টার, সেমেস্টার … সুদেষ্ণাও উঠে চলে গেলো। নীলোৎপল সুস্নাতকে ডেকে নিয়ে গিয়ে কিসব যেন বোঝাতে শুরু করলে। আকাশ আর মধুরিমা, এক ব্যাচ – থার্ড ইয়ার সিভিল, হাত ধরাধরি করে বেরিয়ে গেলো কোথায়। সুন্দর বিকেলটা কেমন যেন ঘেঁটে গিয়ে, ঘরে ফিরতে চাওয়া পাখিদের মতো পুকুরের জল ছুঁয়ে ফুস করে উড়ে গেলো … যাদবপুর।
 
২.
 
বলির পাঁঠার মতোই ওরা বসেছিলো একেকজন। নাম ডাকা হচ্ছিলো, মুখ টানটান করে তারা ভিতরে ঢুকে যাচ্ছিলো। সেই ঘরটার ভিতরে, যেখানে ইন্টারভিউয়াররা বসে আছেন। ক্যাম্পাসিং চলছে, ক্যাম্পাসিং। সারি বেঁধে অপেক্ষায় – আকাশ, মধুরিমা, সুস্নাতরা সবাই। নীলুদারা গতবছর পাস-আউট হয়ে গিয়েছে। নীলোৎপল এখন ভুবনেশ্বরে, ইনফোসিস। যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে টিসিএসের অন-ক্যাম্পাস ড্রাইভ। সাদা জামা, কালো প্যান্ট – চকচকে টাই পরে সুস্নাতরা বসে রয়েছে। ডাক এলো বলে।
 
-“দেখবি শালা ইংরেজীতেই মারবে আমায়,” টিপিক্যাল বাংলা মাধ্যমের ছাত্র আকাশ অস্থির হয়ে ওঠে।
-“চাপ নিস না তো, সবার হয়ে যাবে,” মধুরিমা জবাব দেয়।
-“ওদিকে আবার ফাইনাল ইয়ার প্রজেক্ট,” সুস্নাত বলে ওঠে।
-“তুই যা তো, শালা!” আকাশ ঝাঁঝিয়ে ওঠে, “আমি মরছি নিজের জ্বালায় – উনি আবার প্রজেক্ট নিয়ে ভাবছেন!”
-“একটা সিগারেট ছাড়, ফুঁকে আসি,” সুস্নাত বলে।
-“এক্ষুণি ডাক আসবে তোর, আর টেনশন ফলাতে হবে না,” মধুরিমা শুনিয়ে দেয়।
 
ঠিক সেই সময়টাতেই কমলদা বেরিয়ে এসে ডাক দেয় “সুস্নাত তালুকদার !”

রিজেকশন। শব্দটা নতুন নয়। প্রেম কি চাকরী – প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই শব্দটা খুবই পরিচিত। রেজাল্ট আউট হয়ে গিয়েছে। আকাশের কপালেই শিকেটা ছিঁড়েছে, মধুরিমা-সুস্নাতরা এখনও বেকার। ওদের চাকরী হয়নি। অবশ্য ক্যাম্পাসিংয়ে চাকরী না পাওয়াটা খুব একটা বড় ব্যাপার নয়। তিনজনেই একসাথে মাঠে এসে বসে। আকাশ একটা সিগারেট ধরায়। সুস্নাত তার থেকেই কাউন্টার নেবে। এমনটাই হয়ে এসেছে চিরটাকাল। এমন সময়। “আকাশদাআআ … তোমার চাকরী হয়ে গেছে ?” সুদেষ্ণা ছুটে এসেছে। কাঁধে ঝোলানো তার শান্তিনিকেতনি ব্যাগ। মেঘ মেঘ রঙের একটা হাতকাটা টপ, সুন্দর একটা গন্ধ। নীচু হয়ে আকাশের গলাটা জড়িয়ে ধরে সে। সুস্নাতরা সরে বসে। ওরা খুব কাছাকাছি। হাসি হাসি মুখ দুজনেরই। মধুরিমা তারা গোণে। যাদবপুরে সন্ধ্যা নেমেছে, বকুলতলায় কাঞ্চন ফুলের মরসুম এখন …

৩.

আরও একটা বছর। আবারও যাদবপুর। মায়া বাড়ছে রোজ। রোজ বিকেলেই সুস্নাত কিছুটা করে সময়, বড় মাঠটার পাশে এসে দাঁড়ায়, কিছু ভাবে। অল্পবিস্তর হাঁটাহাঁটি করে। সুস্নাত চাকরীতে যায়নি। নতুন একটা চাকরী অবিশ্যি সে পেয়েছিলো। কিন্তু এমটেকের লোভটা ছাড়তে পারেনি। যাদবপুরেই স্নাতকোত্তরে ভর্তি হয়ে গিয়েছে। গেট পরীক্ষা দিয়ে আসা, ভালো নম্বর পাওয়া – মেধাবী ছাত্রদের দলে তারও নাম উঠতে পেরেছে। এমনই একটা বিকেল। তুলিকারও আসবার কথা রয়েছে আজ। তুলিকা আর্টসের ছাত্রী। মেডেল পাওয়া, রাজনীতি করা মানুষ। এম ফিল ফার্স্ট ইয়ার, ফিলজফী ডিপার্টমেন্ট।

মাঠের ধারটাতেই দাঁড়িয়েছিলো সুস্নাত। তুলিকার আসতে এখনও সময় রয়েছে, ফেসবুকের আলাপ থেকে বন্ধুত্ব। তারপর ইউনিভার্সিটিতে প্রথম দেখা করা … অল্প অল্প হাওয়া দিচ্ছে। ভ্যাপসা ভাবটাও রয়েছে। জুন মাসের গরম। শেষ বৃষ্টি হয়েছে দিন তিনেকেরও বেশী আগে বোধহয়, কাজেই। এমন সময় পিঠে একটা থাপ্পড়, -“কি রে শালা! …”

-“নীলুদা তুমি!” সুস্নাত প্রায় চিৎকার করে ওঠে, “তুমি এখানে ?”
-“আগে বকুলতলায় চ, মেলা খিদে পেয়েছে – পরোটা-আলুরদম খাবো …”

খাওয়া শেষ করে একটা ঢেকুর তুলে নীলুদা খবরটা ফাঁস করে, “বিয়ে করছি বুঝলি, এই অঘ্রাণেই!” –“আরে বাওয়া! কবে হলো কমরেড ?” সুস্নাত চোখ টেপে, “আমরা চিনি ? নাকি ভুবনেশ্বরের কেউ ?”
–“আরে শালা – মোক্ষম চিনিস, নামটা বললেই লাফাবি।”
–“শুনি শুনি!”
–“মধুরিমা গুপ্ত!”।
সুস্নাত হেসে ওঠে, “উরেব্বাবা, তুমি আবার কবে ওই পুকুরে ছিপ ফেলেছিলে গো ?”
–“কথাবার্তা তো ছিলোই, অফক্যাম্পাসে ইনফোসিস পেলো – মাইসোরে ট্রেনিং করলো, ভুবনেশ্বরে পোস্টিং নিয়ে নিলো, ব্যস! তারপর আর কি!”
–“তার মানে তো লম্বা স্টোরীলাইন!” সুস্নাত হাসতেই থাকে, “সবাই সেটল হয়ে যাচ্ছো গো তোমরা …”
–“আরে দূর, এদিকে আকাশ তো জার্মানী যাচ্ছে ? খবর পেয়েছিস ?”
–“তাই নাকি, আমি তো জানতামই না। কনট্যাক্টই নেই একদম,” সুস্নাত তাকায়।
–“তা থাকবে কেন ?”, নীলুদা হেসে ওঠে, “আফটার অল, দাগা দিয়েছিলো বলে কথা, দেখি দেখি এখনও কি সেই দাগ রয়ে গেছে নাকি ?” নীলুদা সুস্নাতর শার্টের কলার ধরে টান মারে। দুজনেই হো হো করে হেসে ওঠে। ফার্স্ট ইয়ারের দুচারজন ফিরে তাকায়।

-“দুজনেই যাচ্ছে কিন্তু, সেটা জানিস ?” নীলুদা তাকায়।
-“না গো, জানিনা।”
-“আজ তো ওই জন্যই আসা। ছুটিতে এসেছিলাম কয়েকদিনের জন্য – কথা হচ্ছিলো। বললো যে আজ ওরা দুজনেই যাদবপুরে আসবে – রেজাল্টের ট্রান্সক্রিপ্ট তুলতে, আকাশ আর সুদেষ্ণা। তাই বসে আছি, এলে ফোন করবে বলেছে। তোর সাথেও দেখা হয়ে গেলো।”

সুস্নাত উঠে দাঁড়ায়, “আমি উঠি গো তাহলে।”
–“এমা, কি হলো! আরে দাঁড়া না শালা – কি যে এমন পিটপিট করিস না তোরা। এক্ষুণি তো আসবে ওরা দুজন, দেখা করবিনা ?”
–“না গো!” সুস্নাত দুপা এগোয়।
-“তোরা শালা সেই সেন্টিমেন্টালই রয়ে গেলি, দাঁড়া তাহলে –অন্তত একটা কাউন্টার নিয়ে নিই কিছুক্ষণ …”

সুস্নাত কেমিক্যালের পাশ দিয়ে মেক্যানিক্যালের দিকে এগোয়। নাগকেশরের গাছ। মিষ্টি একটা গন্ধ প্রায় সারা বছরই এখানে বহাল থাকে। পিছন ফিরে সে দেখতে পায়, ইউনিয়ন রুমের কাছটাতেই নীলুদা দাঁড়িয়ে। সেই চেনা চেহারা, কেবল বোধহয় একটু মুটিয়েছে। ইউনিয়ন রুমটাও ভেঙেচুরে নতুন করে বানাচ্ছে এখন। সুস্নাতর হাসি পায় হঠাৎ। “এই শহীদের রক্তঋণ ব্যর্থ হতে দিচ্ছি নাআ! দেবো নাআ!” শ্লোগানটা কানে আসে। অনেকদিনের কথা সেসব, সন্ধ্যে হয়ে গিয়েছে। নাগকেশরের গাছটাই যেন কেমন অন্ধকারকে বাড়িয়ে তুলতে চায় …

৪.

-“কার সাথে কথা বলছিলে তখন ?” তুলিকার দৃষ্টিতে প্রশ্ন। বেশ সন্ধে হয়ে গিয়েছে। ওর আসতেও অনেকটা দেরী হয়েছে আজ। রাত আন্দাজ, আটটা কি সাড়ে আটটা প্রায়।
-“আরে, কখনকার কথা বলছিস বল তো ?”, সুস্নাত ওর হাতটা ধরে বড় মাঠটার দিকে এগোয়। ঘাসে এসে বসে। খোলা আকাশের নীচে। হাওয়া দিচ্ছে বেশ। বৃষ্টি নেই বলে, কাদাটাও শুকিয়েছে।
-“ক্যান্টিনে, ক্যান্টিনে! বকুলতলায়। বিকেলবেলার দিকটায়, ধরো ওই সাড়ে পাঁচটা কি পৌনে ছটা হবে তখন,” তুলিকা হাসছে।
-“আরে ও তো নীলুদা, আমাদের সিনিয়র – জিএস ছিলো এককালে, কেন বল তো ?” সুস্নাত তাকায়।
-“কিছু না,” তুলিকা এখনও হাসছে, কেমন যেন অদ্ভুত চাউনিটা একরকম।
-“আরে! কি ব্যাপার – বল বলছি।” সুস্নাত জোর করে এবার।
-“আরে না, কিছু না-ই তো, বললাম তো – ক্যাজ, কাটাও এসব” তুলিকা হাসছে। সুস্নাত কড়া চোখে তাকায়। -“বলবি, কি বলবি না ?” তুলিকা তাও হেসে চলেছে, “বলবো ?”
-“আরে হ্যাঁ রে পাগলা, বল না কি বলবি” সুস্নাতও নরম হয়।
-“তুমি আবার হেসে ফেলবে না তো ?” তুলিকা জিজ্ঞেস করে।
-“হাসার কথা হলে হাসবো না, এ আবার কি দাবি – আজব তো!” সুস্নাত তাকায়, “যা বলবার বলে ফেল না রে বাবা। এত সাসপেন্স দিচ্চিস কেন ?”
-“আমাদের গ্র্যাজুয়েশনের পরেপরেই তোমাদের ওই জিএস দাদাটি আমাকে প্রোপোজ করেছিলো, সে জানো ?” তুলিকা এবারে শব্দ করে হেসে ফেলে। সুস্নাত তাকিয়েই থাকে কেবল। তুলিকা বলে চলে। “মেডেল টেডেল পেয়ে বেশ বিখ্যাত হয়েছি তো তখন – তার উপরে রাজনীতির সূত্রে একটা পরিচিতি তো ছিলোই – ব্যস, ওই থেকেই। দুমাস কি আড়াইমাস কথা বলেছিলাম, তারপরেই সটান আই লভ ইউ, কি টিপিক্যাল না ?” তুলিকা শব্দ না করে হাসছে। সুস্নাতর ঠোঁটেও হাসির ছোঁয়াচ লেগেছে।
-“প্রেমের ব্যাপারে কি আমরা সবাইই একটু টিপিক্যাল নই ? এব্যাপারে তোর ফিলজফীতে কি লিখেছে শুনি ?” সুস্নাত তুলিকার হাতদুটোকে সজোরে চেপে ধরে হঠাৎ। দুজনেই হো হো করে হেসে ওঠে। খোলা আকাশের তলায়। ওরা আরো কাছে সরে আসে। নাগকেশরের ফুল … এতক্ষণে হাওয়া উঠেছে। ওরা আরও কাছে সরে এলো। একটু দূরেই, গীটার বাজিয়ে গান করছে কেউ।

রাস্তাগুলো এদিক-সেদিকে গুলিয়ে যায়, কাটাকুটি খেলে কেবল। গীটারের গায়কিতে হঠাৎ, জন লেনন পাশে এসে দাঁড়ান … নাগকেশরের অন্ধকার।


Categories: গল্প

অমর্ত্য বন্দ্যোপাধ্যায়

জন্ম – ১৯৯২, কলকাতায়। ২০১৪-এ পশ্চিমবঙ্গ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রনিক্স এঞ্জিনিয়রিং-এ স্নাতক, পরে আইআইইএসটি, শিবপুর থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ ২০১৬-এ। বর্তমানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি গবেষক। নেশা বলতে বই আর বেড়ানো। শখের তাগিদে নানারকম বিষয়ে লিখে থাকেন। পছন্দ বলতে পরিবেশ আর মানুষের গল্প বলা।

0 Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।