প্রথম কলেজের দিনটা

সন্টু মান্না on

রাসমণি কলেজের ১০২ নং, রুম, ফার্স্ট  ইয়ার ইংলিশ অনার্সের ক্লাস, আজই প্রথম ক্লাস, ফলে ক্লাসরুম পরিপূর্ন, চলছে হইহল্লা, হঠাৎ সবাই স্তব্ধ হয়ে উঠে দাঁড়াল। কারণ সবার অলক্ষ্যে একজন এসে দাঁড়িয়েছে ডায়াসের উপর, প্রায় ছ ফুট উচ্চতা, সাদা জামা, কালো প্যান্ট, হাতে কোট, চোখে চশমা, ক্লিন শেভড গাল, নাকের নীচে সরু গোঁফ,  ব্যাকব্রাশড চুল , সব মিলিয়ে, যেন কলিকালের কার্ত্তিক। গম্ভীর গলায় তিনি বলা শুরু করলেন, “মে আই হ্যাভ ইওর এটেনসন প্লীজ, লেট মে ইন্ট্রোডাক্ট মাইসেলফ, আই অ্যাম অর্নব সেন। এন্ড নাউ, আই ওয়ান্ট টু সে সরি, বিকজ, ইউ গাইজ টুক মি অ্যাজ ইওর  টিচার, বাট, আই অ্যাম জাস্ট আ স্টুডেন্ট লাইক অল অব ইউ ।” বলে ডায়াস থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে সারা ক্লাস হো হো রবে পরিপূর্ণ হয়ে গেল, কিন্তু একজন আসল টিচার ক্লাসে প্রবেশ করায় কলরব থেমে গেল।  আমাদের অর্নব বসেছে মাঝখানের এক বেঞ্চে, তার চারপাশে যারা ছিল সকলের নজর তারই উপরে, কলেজের প্ৰথম দিনই যে সবাই এমন বোকা হবে কেউ তা বুঝতে পারেনি। টিচার একে একে সবার সাথে পরিচিত হলেন, এতেই সময় শেষ। টিচার চলে যাওয়ার পরে একে একে সবাই ঘিরে ধরল অর্নবকে, কেউ কেউ তো তাকে মারে আর কি।ভিড় থেকে ভেসে আসতে থাকল”ব্যাটা প্রথম দিনই বোকা বানালি” —“এমন বুদ্ধি কোথায় পেলে গুরু”—“তোমার অ্যাপিয়ারেন্সেই ফিদা হয়ে গেছি বস” ইত্যাদি বিভিন্ন মতামত। একে একে অর্নব পরিচিত হল সকলের সাথে, বিনিময় হল মোবাইল নাম্বার। একটু লাইব্রেরিতে যাবে বলে উঠে দাঁড়িয়ে ক্লাস টার চারিদিকে নজর দিয়ে দেখল , না, সবাই তার কাছাকাছি নেই, ফার্স্ট বেঞ্চে একটি মেয়ে সবার থেকে আলাদা হয়ে কোনো একটা বই পড়ে যাচ্ছে। অর্নব ভাবল, এমন ধামাকাদার নাটকের পরে সবাই ওর ফ্যান হয়ে গেছে, এটা আবার কে যে ওকে পরোয়াই করছে না। ব্যাপারটা দেখতে হচ্ছে ভেবে পায়ে পায়ে এগিয়ে গেল মেয়েটির দিকে, দেখল মেয়েটি যথেষ্ট মার্জিত পোশাকে থাকলেও কোনও স্টাইলের ছোঁয়া নেই। তার দিকে হ্যান্ডশেক এর জন্য হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলল ” হাই, আমি অর্নব” , উত্তরে মেয়েটি বই থেকে চোখ না তুলেই বলল ” জানি”, একটি ছোট্ট কথা, কিন্তু সেটি প্রচন্ডভাবে নাড়া দিল অর্নবের আত্মগরিমায়, সে বলল ” তোমার নামটা বললে না তো” —“অনামিকা”। ছোট্ট উত্তর দিয়ে বইটা ব্যাগে ঢুকিয়ে ব্যাগ বন্ধ করে ক্লাস থেকে বেরিয়ে যেতেই অর্নব জিজ্ঞাসা করল” কোথায় যাচ্ছ” । না এবার কোনো ছোট্ট উত্তর নয়, ঘুরে দাঁড়িয়ে মেয়েটি বলল” তাতে আপনার কি, তখন থেকে আমি আপনার প্রশ্নের উত্তর এককথায় দিচ্ছি, তাতে বুঝতে পারছেন না, যে আপনার সঙ্গে কথা বলার কোনো ইচ্ছেই আমার নেই” , বলে চলে গেল। হতভম্ব হয়ে তার চলে যাওয়ার পথের দিকে তাকিয়ে রইল…….

সেদিন রাতে অর্নবের আর ঘুম আসে না, আজকের আগে কোনোদিন কোনো মেয়ে তাকে এভাবে অপমান করেনি, বার বার তার চোখের সামনে ভেসে উঠছে মেয়েটির  ক্রোধন্মত্ত মুখখানি, কথা বলতে চায় না, বলে দিলেই হত, ওভাবে বলার কি ছিল?

পরের দিন কলেজে গিয়ে মনমরা হয়ে রইল অর্নব, ঋতম বলল, “গুরু আজ এত চুপচাপ কেন? ” কাশেম বলল” ওই মেয়েটার কথা বাদ দে বস” , শ্রেয়া বলল” তোকে এই রকম চুপচাপ মানায় না,” ওদের কথা শুনতে ভালো লাগছিলো না, অর্নবের, ফলে একটা ক্লাস করে বাড়ি চলে এল। আসলে মা হারা ছেলে তো, ওর সুন্দর মুখশ্রীর কারনে ছোটো থেকেই সবার আদর পেতে অভ্যস্ত, স্কুলে চিরকাল প্রথম, ফলে আরো আদর যত্ন। অর্নব ওর বাবা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার অনিল সেনের নয়নমনি, চিরকাল আদর পেয়ে বড় হয়েছে তাই মেয়েটার ওইটুকু কথায় অতটা ভেঙে পড়েছে।
 কিন্তু নিজেকে বোঝাল অর্নব, না, ভেঙে পড়লে চলবে না, এমন কিছু করতে হবে যাতে মেয়েটি নিজেই ওর সাথে কথা বলে।

 ক্লাস চলছে, আর পড়াশোনায় অনামিকা, আর অর্নব এর মধ্যে চলছে টক্কর, ক্লাসে তারা দুজনই সমান মেরিটোরিয়াস।আর দুদিন পরে নবীনবরণ উৎসবে সবাই দেখতে পেল অর্নব শুধুমাত্র হাস্যরসে ভরপুর নয় , গিটার বাজিয়ে গান গাইতেও ওস্তাদ, সবাই ওর এই গুনে মুগ্ধ, না না, অনামিকা নামধারী সেই মেয়েটির কিন্তু সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই, তার নিজেরও কিছু বান্ধবী রয়েছে, তারা বলল, ” দেখ দেখ, ছেলেটা কি সুন্দর গিটার বাজায়—-“—” তোদের ভালো লাগে ,তোরাই দেখ, আমি চললাম”, বলে হলরুম থেকে বেরিয়ে চলে এল। ওদিকে স্টেজ থেকে অর্ণবও দেখতে পেল অনামিকা চলে যাচ্ছে, আসলে তার দুচোখ ভিড়ের মধ্যে অনামিকাকেই খুঁজছিলো, অনামিকা চলে গেল দেখে অর্নব বুঝে গেল, গিটার বাজিয়ে অনামিকার মন ভরানো যাবে না, ফলে আর বেশি গান না গেয়ে নেমে এলো।

দেখতে দেখতে এগিয়ে এলো টেস্ট পরীক্ষার দিন। পরীক্ষার দেখা গেল অর্নবের সিট পড়েছে একদম লাস্ট বেঞ্চে আর অনামিকার ফার্স্ট এ। পরীক্ষার রেজাল্ট বেরোলে দেখা গেল অনার্স পেপারে ২০০ এর মধ্যে ১২৫  পেয়ে ওরা দুজনেই যুগ্মভাবে ফার্স্ট।
 রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিনে অনামিকা পরে এলো একটি নীল শাড়ি, কপালে কলকা আঁকা টিপ, মাথার খোঁপায় রজনীগন্ধার মালা, আর অর্নব পড়েছে ছবি আঁকা সাদা পাঞ্জাবী আর জিন্স। উদ্বোধনী সঙ্গীতে অনামিকা  ও অন্যান্যরা গাইল  ” হে নুতন দেখা দিক…..” , কয়েকটি বক্তৃতা ও আবৃত্তির পর সবাই অবাক হয়ে দেখল অর্নব হারমোনিয়াম বাজিয়ে গাইছে” আমি তোমারই সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ…..” । আসলে দুজনেই দুজনকে উপেক্ষা করতে করতে কিভাবে মনে মনে মন দিয়ে ফেলেছে তা বুঝতে পারেনি। হয়তো এরপর ওরা নিজেদের মধ্যে ভুলবোঝাবুঝির অবসান ঘটাতো, কিন্তু ওদের সকলের প্রিয় মধুমিতা ম্যাম বললেন, ” অর্নব আর অনামিকা, তোমরাতো সুন্দর গান গাও, এবার তোমরা একটা দ্বৈতসঙ্গীত শোনাও দেখি” — সঙ্গে সঙ্গে প্রিন্সিপাল সহ সমস্ত শিক্ষক শিক্ষিকা, ও স্টুডেন্ট সমস্বরে মধুমিতা ম্যামকে সমর্থন করল, ওদের কোনো জারিজুরি চলল না,  ওরা গিয়ে বসল স্টেজে, এবার আরও এক আশ্চর্য, অর্নব টেনে নিল তবলা, আর অনামিকা হারমোনিয়াম, কিন্তু কি গান গাইবে সেটা বুঝতে পারল না, শেষে প্রিন্সিপাল বললেন ” সেদিন দুজনে দুলেছিনু বনে…… গানটা গাও”।  গানটা ঠিকঠাক গাইলে কি হবে, ওরা যতটুকু মানসিক কাছাকাছি এসেছিল, ততটাই দূরে চলে গেল।

দেখতে দেখতে এসে গেল ফাইনাল পরীক্ষার দিন, ছেলেদের সিট পড়েছে এমন একটি কলেজে যার অদূরে রয়েছে একটি খরস্রোতা নদী, আর মেয়েদের সিট পড়েছে ওই একই কলেজের মহিলা বিভাগে যেটা বয়েজ কলেজ থেকে ২০০ মিটার দূরে অবস্থিত।  প্রতিটি পরীক্ষা দিয়ে বেরোনোর পর ছেলেরা নদীর ধারে একটু আড্ডা মারে, তারপর যে যার বাড়ি চলে যায়। ওদের মোট চারটে পরীক্ষা,২ টি অনার্স পেপারের আর দুটি পাস পেপার। তিনটি পরীক্ষা হয়ে গেছে, চতুর্থ পরীক্ষার দিন রাসমণি কলেজের স্টুডেন্টরা ঠিক করল পরীক্ষার পর ওরা একটু নৌকাবিহার করবে, অর্নব, ওর বন্ধুদের চাপে, আর অনামিকা ওর বান্ধবীদের জোরাজুরিতে রাজি হয়েছে ওদের সঙ্গ দিতে।

পরীক্ষা শেষ, সবাই মিলে দুটো নৌকা ভাড়া করল, নিজেরাই চালাবে বলে, একটা নৌকাতে থাকবে ছেলেরা, আর একটাতে মেয়েরা, মেয়েদের নৌকায় চারজন ছেলে চলে গেল নৌকা চালাবে বলে।

 নৌকা চালিয়ে ওরা এগোতে থাকল, অর্নবের মনটা বোধহয় খারাপ ছিল, নৌকার ধারে দাঁড়িয়ে ছিল সে, অনামিকা বান্ধবীদের সাথে আনন্দ করছিল, হঠাৎ ছেলেদের নৌকা একটু  কাত হতেই, অর্নব ঝপাং করে জলে পড়ল, পরেই হাতপা ছুঁড়ে সাহায্যের জন্য চেঁচাতে থাকল, অনামিকা দেখে বলল, “নাটক করছে'” , ওদিকে ঋতম, কাশেম এরাও ভাবল যে অর্নব নাটক করছে, কিন্তু 2মিনিট ধরে ও লাফালাফি করছে দেখে অনামিকার সন্দেহ হল, ও ঋতমদের বলল ওকে তুলে নিতে, কিন্তু ওরা কেউ জলে নামল না, এদিকে অর্নব আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে আসছে দেখে অনামিকা লাফ দিল জলে, চুলের মুঠি ধরে টেনে আনল নৌকার কাছে , ছেলেদের নৌকায় তুলে দিল অর্নবকে , তারপর অন্যান্যদের সাহায্যে উঠে পড়ল ছেলেদের নৌকায়, অর্নবের বুটদুটো খুলে ওর পেটের নীচে দিয়ে, পিঠে চাপ দিয়ে কিছুটা জল বের করে দিতেই কেশে উঠল অর্নব, সঙ্গে সঙ্গে অনামিকা ঋতমকে পিঠে চাপ দিতে বলে একলাফে মেয়েদের নৌকায় চলে গেল, ততক্ষনে নৌকাদুটো কাছাকাছি চলে এসেছিল। তারপর ওর নদীর ঘাটে এসে নৌকা থেকে নেমে নৌকার ভাড়া দিতে গিয়ে মাঝির কাছে একটু বকা খেল, তারপর যে যার বাড়ি চলে গেল। অর্নব আর কাশেম এর বাড়ী একই পথড হওয়ায় কাশেম অর্নবের সঙ্গে গেল।

বাড়ি যেতে যেতে অনামিকার বারবার অর্নবের কথা মনে হতে থাকল,কিন্তু অর্নবের ফোন নং ওর কাছে নেই, তাই নাথিং টু ডু, আর অর্নবও কাশেম এর কাছ থেকে জানতে পারলো যে ওকে নদী থেকে তুলে ওর জ্ঞান ফিরিয়ে এনেছে অনামিকা, ফলে ওর মনেও অনামিকাকে ধন্যবাদ জানানোর জন্য মন কেমন করতে থাকে , রাতে অর্নব বাড়ি গিয়ে অনামিকার এক বান্ধবীর কাছ থেকে অনামিকার নং নিয়ে ওকে ফোনে ধরল, অনামিকা খুশি হলেও বলল”এত রাতে আমি ফোনে বেশিক্ষন কথা বলব না, ফলে অর্নব পরের দিন ওকে কলেজে আসতে বলল, অনামিকা রাজি হল, কারন কলেজে সেকেন্ড ইয়ারের সিট বুকিং ও হয়ে যাবে।

পরের দিন ওরা ঠিক সময়েই কলেজে পৌঁছাল,অনামিকা কলেজের লাইব্রেরিতে ছিল, সদ্য পরীক্ষা হয়ে গেছে, ফলে কলেজে লোকজন কম, অর্নবই প্রথম কথা বলল” আমাকে বাঁচানোর জন্য ধন্যবাদ”– ” ধন্যবাদ এর দরকার নেই, আমি সম্পূর্ণ মানবতাবোধে তোমায় বাঁচিয়েছি” –“শুধুই মানবতা?”—“তা নয়তো কি”—-” শুধু মানবতা হলে আজ এই সময়ে তুমি আসতে না, যদি সিট বুকিং এর কথা ধরি তাহলেও অফিস খুলতে এখনো 1 ঘন্টা, আমার আর বেশি সন্দেহ হচ্ছে তুমি আমাকে ‘আপনি’ থেকে ‘তুমি’ বলে ডেকেছো”, অনামিকা আর আবেগ ধরে রাখতে পারল না, মুখ ঘুরিয়ে কেঁদে ফেলল,  অর্নব ইতস্তত করেও অনামিকার কাঁধে হাত রাখল, অনামিকা কাঁদতে কাঁদতে বলল ” গুনের তো তোমার শেষ নেই, আর আমার মনের কথা জানো না?”-অর্নব ভান করে বলল, ” না, জানিনা ” —“তাই?”  বলে অর্নবকে জড়িয়ে ধরে পিঠে কিল মারতে লাগল। অর্নবও ওকে জড়িয়ে বলল” তোমার মনের কথা এবার বোধহয় বুঝতে পারছি” — বলে মুখটা অনামিকার কানের কাছে নিয়ে গিয়ে বলল I LOVE YOU। যেই না একথা বলা সঙ্গে সঙ্গে চারদিক থেকে মোবাইলের ফ্ল্যাশ গানের আলোয় আলোকিত হল লাইব্রেরি রুম, ঋতম বলে উঠল ” আমরা কিন্তু সাক্ষী রইলাম” , অর্নব বলল, ” তোরা কি করে জানলি? নিশ্চয়ই শ্রেয়া বলেছে, শয়তান একটা” লজ্জায় অনামিকা, অর্নবের বুকে মুখ লুকালো।  ওরা অর্নব আর অনামিকাকে ঘিরে হইহল্লা করতে থাকল।
ঋতম নিজের মোবাইলে গান চালিয়ে দিল ” মিলন হবে কতদিনে, আমার মনের মানুষের সনে……”

 ফার্ষ্ট ইয়ারের শেষটা ওদের বেশ ভালোই কাটল। কথায় আছে না, যার শেষ ভালো , তার সব ভালো।
 


ফেসবুক অ্যাকাউন্ট দিয়ে মন্তব্য করুন


সন্টু মান্না

জন্ম পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ 24 পরগনার মল্লিকপুরে ,1995 সালের জুন মাসের15 তারিখ, পিতা স্বপন মান্না, মাতা গীতা মান্না, মল্লিকপুর আব্দাস সকুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক তার পর সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্স নিয়ে গ্রাজুয়েশন। বর্তমানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। গান, ছবি আঁকা, গল্প, কবিতা লেখা, ও থ্রিলার গল্প পড়ার নেশা। সাধারণত তন্ত্র মন্ত্র আশ্রিত থ্রিলার এবং ভক্তিমূলক কবিতা লেখেন।

0 Comments

মন্তব্য করুন

Avatar placeholder

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।